কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন হবে না যদি গণমাধ্যমকে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে না দেওয়া হয়।যে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, গণমাধ্যম স্বাধীনতা চর্চা করতে পারে না, সে দেশে গনতন্ত্র নেই। যদি গনতন্ত্র থাকে এবং তার জবাবদিহিতা না থাকে তাহলে সংবাদমাধ্যমের কোন প্রয়োজন নেই। বিএনপি গনতন্ত্রে বিশ্বাসী বিধায় আমরা গনতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য জবাবদিহিতার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করবো।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি)বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনাসভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপনপ্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমরা দেশে ভয়ভীতিমুক্ত একটা সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি স্বতন্ত্র পেশা। এই পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো সমস্যা, সংকট বা বিরোধ সাংবাদিকতার নিজস্ব কাঠামো ও নীতিমালার মধ্যেই সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এর বাইরে অন্য কোনো প্রশাসনিক বা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক হস্তক্ষেপ হলে পেশাগত স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের কিছু বাস্তব সমস্যা রয়েছে। সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের আর্থিক ও পেশাগত নিরাপত্তার বিষয় তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ওয়েজবোর্ডকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।দ্রুত সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন,ভবিষ্যতে যেন সব সময় একটি নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করাই সরকারের অগ্রাধিকার।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি ভাষা আন্দোলনে শহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখা নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
আলোচনাসভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,নানা শ্রেণীপেশার মানুষ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।